আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের ৫ মামলা

0
59

চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ডায়মন্ড আমদানি এবং এসব মূল্যবান সামগ্রী কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার রাজধানীর গুলশান থানায় দুটি (মামলা নং ১৫ ও ১৬, তারিখ ১২/০৮/২০১৭), ধানমন্ডি থানায় একটি (মামলা নং ১০, তারিখ ১২/০৮/২০১৭), রমনা থানায় একটি (মামলা নং ২৭, তারিখ ১২/০৮/২০১৭) ও উত্তরা থানায় একটি (মামলা নং ১৭, তারিখ ১২/০৮/২০১৭) সহ মোট পাঁচটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দার পাঁচজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা যথাক্রমে এম. আর জামান বাধন, বিজয় কুমার রায়, মো. শাহরিয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং মো. আরিফুল ইসলাম মামলাগুলোর বাদী।

ড. মইনুল খান বলেন, মামলার অভিযুক্তরা হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ তিনজন- দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ এবং আজাদ আহমেদ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনার আলোকে শনিবার এই মামলাগুলো করা হয়।

অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ধারা ২ (ঠ) এবং কাস্টমস অ্যাক্ট-১৯৬৯ এর ধারা ১৫৬(৫) অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দা এই অর্থপাচার মামলাগুলোর তদন্ত করবে।

এর আগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে শুল্ক-করাদি ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার মজুদ করার অভিযোগে দি কাস্টমস অ্যাক্ট-১৯৬৯ অনুযায়ী কাস্টম হাউস ঢাকায় পাঁচটি কাস্টমস মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুম থেকে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণের ও ডায়মন্ডের অলঙ্কার জব্দ করা হয়। পরে এসব অলঙ্কার বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়া হয়।

Facebook Comments