বিকাশ ভরসা নাকি হুন্ডি প্রতারণা! (ভিডিওসহ)

0
205

রাতুল তালুকদার: বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন প্রবাসীরা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ বৈদেশিক মুদ্রা আসছে বিকাশের মাধ্যমে। কিন্তু নানা কারণে এই রেমিটেন্সের হার কমছে দিন দিন। এর অন্যতম কারণ হুন্ডি।

হুন্ডি ব্যবসায়ীরা এখন অর্থ লেনদেনে ব্যবহার করছে বিকাশ পদ্ধতি। অথচ বিদেশ থেকে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সম্পূর্ণ অবৈধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে তদন্তে নেমেছে ব্রিটিশ সরকার।

সর্তকতামূলক ভিডিও ১:

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৭২ হাজার ৪শ’ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে একই সময়ে এ অংক ছিল ৮৬ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে রেমিটেন্স কমেছে প্রায় ১৪ হাজার ১শ’ কোটি টাকা।

লন্ডন বাংলাদেশ হাই কমিশন কমার্শিয়াল কাউন্সিলর শরীফা খান বলেন, ‘আমরা এই বিষয়টা নিয়ে বিকাশের সঙ্গে কথা বলেছি। বিকাশ থেকে কনফার্ম করেছে ওয়েস্ট্রান ইউনিয়ন ও ব্র্যাক্স ছাড়া যুক্তরাজ্যে অন্য কারো সঙ্গে বিকাশের চুক্তি নেই। অন্যান্য গুলি আসলে অবৈধ।’

বিকাশের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ পাঠানোর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোও। (সূত্র : সময়টিভি)

অন্যদিকে দেশের মানুষের কাছেও রয়েছে বিকাশের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ। বিভিন্ন প্রতারণারও খবর মিলেছে বিকাশের বিরুদ্ধে।

কুমিল্লার গৌরিপুরের ছেলে হৃদয় আহমেদ, থাকেন উত্তরার ১১নং সেক্টরে। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত। কয়েকমাস আগে, অসুস্থ বাবা হাসপাতালে। জরুরি প্রয়োজনে টাকা আনেন বিকাশে। টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে দেখেন account suspended! অথচ account টা সকালেও active ছিল। বিকাশের হেড অফিস মহাখালী যোগাযোগ করলে তারা বলেন এই account টা অন্যের নামে খোলা। কিন্তু এই account  এই হৃদয় গত দুবছর ধরে টাকা লেনদেন করে আসছেন। যদি account টা তার নাই হয় তো তারই ফোন নম্বরে সে কিভাবে লেনদেন করল? সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারিনি কতৃপক্ষ, এমনকি টাকাও পায়নি হৃদয়।

তাহলে এখন আমরা একে কি বলবো? প্রতারণা নাকি সিস্টেম?

এছাড়াও বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন নম্বর থেকে কল করে ভুলে টাকা চলে গিয়েছে বলে ব্যলেন্স দেখতে বলা হয়, ব্যলেন্স দেখলেই account এ থাকা টাকা উধাও হয়েছে অনেকেরই।

সর্তকতামূলক ভিডিও ২:

Facebook Comments