নেপাল আর ভারতের সম্পর্ক অবনতির কারণ কী?

0
441

ভারত ও নেপালের মধ্যে গত দেড় মাস ধরে যে শীতল উত্তেজনা চলছে, গতকাল দুদেশের সীমান্ত এলাকায় নেপালি পুলিশের গুলিতে এক ভারতীয় যুবকের মৃত্যুর পর সেই পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাঠমান্ডুতে নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে এই মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন।

ওদিকে ভারত-সীমান্তে অঘোষিত অবরোধ চলতে থাকায় নেপাল এই প্রথম তাদের উত্তরের প্রতিবেশী চীনের কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি শুরু করেছে, যার প্রথম চালান মঙ্গলবারই এসে পৌঁছেছে। কিন্তু নেপাল-ভারত সম্পর্কে আচমকা এত দ্রুত অবনতির কারণ কী?

মাত্র বছরখানেক আগেও কাঠমান্ডুর রাজপথে সফররত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিবাদন জানাতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। নেপালের পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়ে প্রতিবেশীদের মনও জয় করে নিয়েছিলেন মি মোদি।

কিন্তু ওই সফরের ঠিক তেরো মাসের মাথায় নেপাল তাদের নতুন সংবিধান অনুমোদন করে, আর তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সে দেশের ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকার মদহেশিরা – যাদের পেছনে দিল্লিরও প্রচ্ছন্ন সমর্থন আছে বলে পর্যবেক্ষকরা একমত।

মদহেশি নেতা ও নেপাল সদ্ভাবনা পার্টির প্রধান রাজেন্দ্র মাহাতোর বক্তব্য, ‘নতুন সংবিধানে এমনভাবে প্রদেশগুলো ভাগ করা হয়েছে যাতে সাতটির মধ্যে ছটিতেই মদহেশি, থারু বা পাহাড়ি জনজাতিদের ক্ষমতায় আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। যেহেতু ভারতীয়দের সঙ্গে মদহেশিদের আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে তাই ষড়যন্ত্র করে তাদের ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতেই এটা করা হয়েছে।’

Facebook Comments